আজ মিয়ানমারের বিচার হবে কিনা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবে আন্তর্জাতিক আদালত আইসিসি।
আন্তর্জাতিকঃ
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেনাবাহিনীর নির্মম গণহত্যা ও নির্যাতন চলেছে প্রায় ৩বছর। ২০১৭ সালে এই নির্যাতনের সুত্রপাত।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অংসান সূচির নির্দেশে এই গণহত্যা চালায় মিয়ানমার জান্তা বাহিনী। তাদের মতে, রোহিঙ্গা দেশে সন্ত্রাসী করত বলে এই হামলা চালায় মিয়ানমার সরকার।তবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অপরাধ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।
তবে মিয়ানমারের কোনো রকম যৌক্তিক দাবি না থাকায় মিয়ানমারের আপত্তি খারিজ করে দিতে পারে আন্তর্জাতিক আদালত আইসিসি, এমনটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। এমনটা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল জাজিরা নিউজ।
রোহিঙ্গা গনহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধের কারণে গাম্বিয়ার করা মামলায় মিয়ানমারের আপত্তি ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের রায় শুক্রবার (২২শে জুলাই)। এর আগে ২০১৭ সালের আগষ্টে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর পাষবিক ভাবে নির্যাতন ও হত্যা করে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। এর প্রেরিপেক্ষিতে রোহিঙ্গা সিমান্ত দেশ বাংলাদেশ এবং ভারতের বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয় নেয়।
এছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারে অসংখ্য ভিডিও এবং ফাইল ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গা নির্যাতন অস্বীকার করছে মিয়ানমার সরকার। তাদের ঐ ভিডিও গুলোতে দেখা যায় তাদের অমানবিক নির্যাতনের এবং অসংখ্য বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ভিডিও। এছাড়া তাদের হাত থেকে রক্ষা পাইনি রোহিঙ্গা শিশুরা।
এতে আন্তর্জাতিক মহলে পড়ে যায় হইচই। তবে এখনো তার কোনো মীমাংসা হয়নি।
.jpeg)
সামাজিক মাধ্যম